একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় আমাদের অগ্রণী পদক্ষেপ।
শুধুমাত্র ২০২৪ সালে আমরা:
দ্রুত শনাক্তকরণের ফলে এই শিশুরা এখন:

প্রতিটি স্কুল কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিস্তারিত চোখের পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়।


আমরা আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞ সার্জনদের সহায়তায় বিনামূল্যে ছানি ও অন্যান্য সংশোধনী অস্ত্রোপচার প্রদান করি। এই চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে অনেক মানুষ তাদের হারানো দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।

রোগীর সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমরা অস্ত্রোপচারের পর নিয়মিত ফলো-আপ এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা প্রদান করি। এই পর্যায়ে রোগীদের সঠিক চোখের যত্ন সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

আমাদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ কর্মসূচির মাধ্যমে রোগীদের নিজস্ব ভাষায় সচেতনতা প্রদান করা হয় এবং সহজ নির্দেশনার মাধ্যমে চোখের যত্ন সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়, যাতে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কমানো যায়।

আমরা স্থানীয় স্কুলগুলোতে গিয়ে শিশুদের চোখ পরীক্ষা করি। উদাহরণস্বরূপ, ১১টি স্কুলে ১৩,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর চোখ পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্যাগুলো শনাক্ত করা অন্ধত্ব প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
১৯৮৯ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের হায়দরাবাদ শহরে আমাদের প্রথম ভ্রাম্যমাণ চোখের চিকিৎসা ক্যাম্প দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। সেই সময় এই উদ্যোগটির নাম ছিল “Blindness Eradication Program”।
প্রথম ক্যাম্পে আমরা ১,৫৬৩ জন রোগীর চোখ পরীক্ষা করি, ২৬৭টি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করি, এবং ৪০০টি চশমা বিতরণ করি।
তারপর থেকে আমরা ব্যাপকভাবে এগিয়ে গেছি। আমাদের কার্যক্রমের পরিধি, দক্ষতা, অস্ত্রোপচার পদ্ধতি, লজিস্টিক পরিকল্পনা এবং ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
আজ আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের জীবনে দৃষ্টিশক্তির আলো ফিরিয়ে দিতে কাজ করছি।