স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জন্য চক্ষু সেবা ও দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করে তাদের শেখার সুযোগ উন্নত করা এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সহায়তা করা হচ্ছে।
দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে লক্ষ লক্ষ মানুষের মাঝে চশমা পৌঁছে দিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষায় আরও স্পষ্টভাবে দেখার সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করা হচ্ছে।
একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক, যা ৫২টি দেশে মানসম্মত চক্ষু সেবা প্রদান করছে এবং ২৯টি হাসপাতালের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধার ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সফল চক্ষু অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আমরা মানুষের জীবনে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিচ্ছি; লাখো মানুষের চোখে সঞ্চার করছি নতুন আলো আর উপহার দিচ্ছি এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।
এশিয়া ও আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বব্যাপী অন্ধত্ব প্রতিরোধে কাজ করা একটি অগ্রণী চোখের চিকিৎসা সেবামূলক সংস্থা।
আফ্রিকা ও এশিয়ার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব দূর করা আমাদের লক্ষ্য। উন্নত চোখের চিকিৎসা, সচেতনতা এবং টেকসই স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে আমরা মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিই।
প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, কার্যকর চিকিৎসা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে আমরা শুধু দৃষ্টিশক্তিই নয়—মানুষের মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও পুনরুদ্ধার করি।
আমাদের বিশ্বাস, সুস্থ দৃষ্টি একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দ্বার খুলে দেয়।
চোখের চিকিৎসার অভাবে হওয়া দৃষ্টিশক্তি সমস্যার কারণে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৪১০ বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। অথচ এই সমস্যাগুলোর সমাধানে প্রয়োজন মাত্র ২৪.৮ বিলিয়ন ডলার—যা এই ক্ষতির তুলনায় খুবই সামান্য।
তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ফেব্রুয়ারি ২০২৩
আমাদের মেইলিং লিস্টে যুক্ত হয়ে আমাদের সর্বশেষ প্রকল্প, চোখের চিকিৎসা ক্যাম্প এবং সাফল্যের গল্পের আপডেট পান। সবার জন্য দৃষ্টিশক্তি নিশ্চিত করার এই মানবিক উদ্যোগে আমাদের কমিউনিটির অংশ হয়ে উঠুন।