আমাদের সম্পর্কে

আমাদের লক্ষ্য

আমাদের লক্ষ্য হলো আফ্রিকা ও এশিয়ার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে সমন্বিত চোখের চিকিৎসা সেবা, সচেতনতা এবং সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমরা কাজ করছি:

  1. চোখের রোগ দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে
  2. প্রয়োজনীয় মানুষের জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী চোখের চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে
  3. মানুষকে সুস্থ দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সচেতনতা প্রদান করতে
  4. দৃষ্টিশক্তি সমস্যা ও অন্ধত্বের মূল কারণ মোকাবিলায় টেকসই সমাধান ও কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে.

স্পষ্ট লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা বৈশ্বিক চোখের স্বাস্থ্য উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য মানুষের ক্ষমতায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা যেখানে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব আর মানুষের সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

image-2

অপারেশনের পর চোখের প্যাচ খোলার পর তীব্র সূর্যালোক থেকে চোখ রক্ষা করার জন্য রোগীদের সানগ্লাস প্রদান করা হয়।

Our Vision

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা যেখানে প্রত্যেক মানুষ মানসম্মত চোখের চিকিৎসা সেবার সুযোগ পাবে—যার ফলে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব দূর হবে এবং সবাই কোনো বাধা বা সীমাবদ্ধতা ছাড়াই দৃষ্টিশক্তির এই অমূল্য উপহার উপভোগ করতে পারবে।

Al Basar Our Vision Image (1) (1)

চোখের চিকিৎসা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।

Restoring Vision, Transforming Lives banner

দৃষ্টিশক্তি ফিরুক, জীবন হোক আলোকিত।

নাইজেরিয়ার ব্যস্ত নগরী ইবাদানে মারিয়াম নামের একটি ছোট মেয়ে বাস করত এক অন্ধকারে ঢাকা জগতে। তীব্র ছানির কারণে তার ডান চোখটি প্রায় সম্পূর্ণ ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল। শৈশবের রঙিন পৃথিবী, আনন্দময় দৃশ্য—সবকিছুই যেন তার কাছ থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছিল। মাত্র তিন বছর বয়সেই তার জীবন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল, আর ভবিষ্যৎ হয়ে উঠেছিল অনিশ্চিত।

অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত তার মা অসহায়ভাবে দেখছিলেন, কীভাবে তার প্রিয় সন্তানের পৃথিবী প্রতিদিন আরও অন্ধকার হয়ে উঠছে। যে অস্ত্রোপচারটি মারিয়ামের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে পারত, তার ব্যয় তাদের কাছে ছিল প্রায় অসম্ভব।

ঠিক সেই সময় অন্ধকার ভেদ করে আশার এক আলো জ্বলে উঠল। ইবাদানে আমাদের ছানি চিকিৎসা কার্যক্রমের মাধ্যমে মারিয়ামের জীবনে এল এক নতুন মোড়। দক্ষ ও সহানুভূতিশীল চিকিৎসকদের হাত ধরে সে পেল সেই জীবন পরিবর্তনকারী অস্ত্রোপচার, যার জন্য সে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছিল।

আজ মারিয়ামের পৃথিবী আবার রঙে ভরে উঠেছে। নতুন করে পৃথিবীকে আবিষ্কার করার আনন্দে তার চোখ ভরে ওঠে হাসিতে। তার সামনে এখন উন্মুক্ত অসংখ্য সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ।

এটাই আপনার সহায়তার শক্তি। একসাথে আমরা মানুষের জীবন বদলে দিতে পারি এবং যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাদের জীবনে আবার আলো ফিরিয়ে আনতে পারি।

Mission Statement - Al-Basar USA

আমাদের টিমের সাথে পরিচিত হোন

আমাদের নেতৃত্ব

AL BASAR USA-এর পরিচালনা পর্ষদ আমাদের বৈশ্বিকভাবে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মিশনকে এগিয়ে নিতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধান প্রদান করে। চক্ষুবিদ্যা, ব্যবসা এবং প্রকৌশলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয়ে গঠিত এই পর্ষদ আমাদের কার্যক্রমের সম্ভাবনা মূল্যায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের নিবেদন, অভিজ্ঞতা এবং সম্মিলিত নেতৃত্ব আমাদের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যায়—যাতে আমরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য একটি উজ্জ্বল ও আশাব্যঞ্জক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি।

Mr. Emad Al Reshoud

এমাদ আল রেশৌদ

চেয়ারম্যান AL BASAR USA-এর নির্বাহী পরিচালক এমাদ আল রেশৌদ বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস শিল্পে ৩০ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং চোখের চিকিৎসা উদ্যোগে ২৫ বছরের বেশি নিবেদিত কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আফ্রিকা ও এশিয়ার দূরবর্তী অঞ্চলে চোখের চিকিৎসা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বহু আই কেয়ার ক্যাম্পে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে অসংখ্য মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছেন। মি. আল রেশৌদ কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ইউনিভার্সিটি অব নটর ডেম ও বোস্টনের IHRDC-তে এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন। তিনি Al Basar International Foundation UK-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এবং বৈশ্বিক চোখের চিকিৎসা ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছেন।

Dr. Khalid Al Arfaj

ড. খালিদ আল আরফাজ

পরিচালক ড. খালিদ আল আরফাজ, AL BASAR USA-এর পরিচালনা পর্ষদের একজন বিশিষ্ট সদস্য, একজন বোর্ড-সার্টিফায়েড চক্ষু বিশেষজ্ঞ যিনি কর্নিয়া ও রিফ্র্যাকটিভ সার্জারিতে বিশেষজ্ঞ। কিং খালেদ আই স্পেশালিস্ট হাসপাতাল এবং হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ম্যাসাচুসেটস আই অ্যান্ড ইয়ার ইনফার্মারি থেকে ফেলোশিপ সম্পন্ন করে তিনি বৈশ্বিক চোখের চিকিৎসা ক্ষেত্রে ২০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ইমাম আবদুলরহমান বিন ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষুবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি AL BASAR USA-এর বিভিন্ন উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং আফ্রিকা ও এশিয়াজুড়ে চোখের চিকিৎসা কার্যক্রমকে সমর্থন করেছেন। তিনি Al Basar International Foundation UK-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

Mr. Sam Haffar

মি. স্যাম হাফার

পরিচালক AL BASAR USA-এর একজন নিবেদিতপ্রাণ বোর্ড সদস্য স্যাম হাফার প্রযুক্তি খাতে ৪০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন সফল প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। তিনি ১৯৮৭ সালে Computex Technology Solutions প্রতিষ্ঠা করেন এবং এটিকে হিউস্টনের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন, যার যুক্তরাষ্ট্রে ৯টি শাখা এবং বার্ষিক আয় ছিল প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে অধিগ্রহণ করা হয়। হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জনকারী মি. হাফার তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার সিকিউরিটিতে একাধিক প্রযুক্তিগত সনদ অর্জন করেছেন। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব AL BASAR USA-এর মিশনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বৈশ্বিক চোখের চিকিৎসা উদ্যোগে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করছে।

Dr. Hashibul Hannan, MD

ডা. হাশিবুল হান্নান, এমডি

পরিচালক ড. হান্নান, AL BASAR USA-এর একজন নিবেদিত বোর্ড সদস্য, ফাউন্ডেশনে অসাধারণ নেতৃত্ব ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছেন। তিনি SignatureCare-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও নির্বাহী নেতৃত্বের একজন হিসেবে উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তার বিস্তৃত চিকিৎসা জ্ঞানের মাধ্যমে রোগীদের সেবার মান উন্নত করছেন। তিনি জরুরি চিকিৎসা (Emergency Medicine)-এ বোর্ড-সার্টিফায়েড এবং Emergency Ultrasound-এ ফেলোশিপ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। অতীতে তিনি হিউস্টন এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। SUNY Stony Brook থেকে তিনি মেডিসিনে এমডি এবং বায়োকেমিস্ট্রি ও কেমিস্ট্রিতে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তার চিকিৎসা দক্ষতা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি স্বাস্থ্যসেবায় কার্যকর ও প্রভাবশালী সমাধান তৈরিতে সহায়তা করছে।

Mr. Abdulmajid Saber

মি. আব্দুলমাজিদ সাবের

পরিচালক AL BASAR USA-এর একজন নিবেদিত বোর্ড সদস্য আব্দুলমাজিদ তেল ও গ্যাস শিল্পে ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে এই দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে Aramco Services-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি তিনি অপারেশন ও ইঞ্জিনিয়ারিং-এ তার দক্ষতা মানবিক কাজের প্রতি গভীর অঙ্গীকারের সাথে যুক্ত করেছেন। দান-সদকার প্রতি আজীবনের অনুপ্রেরণা থেকে আব্দুলমাজিদ AL BASAR USA-এর আফ্রিকা ও এশিয়ায় অন্ধত্ব প্রতিরোধের মিশনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং বৈশ্বিক চোখের চিকিৎসা উদ্যোগে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করছেন।

Our Story

Our Story – Al Basar USA banner

একটি সহজ স্বপ্ন, কিন্তু তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে

ভাবুন এমন একটি পৃথিবীর কথা, যেখানে প্রত্যেক মানুষ—সে যেখানেই বসবাস করুক না কেন—চারপাশের সৌন্দর্য স্পষ্টভাবে দেখতে পারে। এই স্বপ্নই AL BASAR USA-এর কাজের প্রেরণা। ১৯৮৯ সাল থেকে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে আশা, চিকিৎসা এবং দৃষ্টিশক্তির অমূল্য উপহার পৌঁছে দিতে।

যেভাবে শুরু হয়েছিল:

১৯৮৯ সালে একটি চক্ষুবিদ্যা সম্মেলনে AL BASAR USA-এর ধারণার সূচনা হয়। সেখানে আমরা একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা লক্ষ্য করি—অনেক ইউরোপীয় চক্ষু চিকিৎসা দাতব্য সংস্থা নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছিল, ফলে এশিয়া ও আফ্রিকার সবচেয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছিল। এই বৈষম্য আমাদেরকে পদক্ষেপ নিতে অনুপ্রাণিত করে। দৃষ্টিশক্তি চিকিৎসার গভীর মানবিক প্রভাব উপলব্ধি করে আমরা এমন একটি উদ্যোগ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিই, যা কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়াই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন মানুষের পাশে দাঁড়াবে।

ক্ষুদ্র শুরু থেকে বৈশ্বিক প্রভাব

যা শুরু হয়েছিল মাত্র একটি ‘স্লিট ল্যাম্প’ (Slit Lamp) দিয়ে, তা আজ মহাদেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার শক্তিতে পরিণত হয়েছে। আজ অব্দি AL BASAR USA এশিয়া ও আফ্রিকার ৫২টি দেশের ৬৯৭টি শহরে তাদের সেবা পৌঁছে দিয়েছে এবং ২৯টি স্থায়ী হাসপাতালের মাধ্যমে জরুরি চক্ষুসেবা প্রদান করছে। ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিক (3rd Quarter) পর্যন্ত আমাদের অর্জিত মাইলফলকগুলো আমাদের অঙ্গীকারের প্রমাণ দেয়:
  • ৩,৮৪,৫৪,২০৯ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান।
  • ২৯,৯৮,৯০২ টি চোখের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন।
  • ২২,৪৫,৩৬১ টি চশমা বিতরণ।

নিষ্ঠা ও সেবার উত্তরাধিকার:

আমাদের একজন প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক একবার বলেছিলেন:
“এটি এই ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও কর্মীদের আন্তরিকতার প্রমাণ—আমি তাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাই।”

এই কথাগুলো AL BASAR USA-এর কাজের চেতনাকে প্রতিফলিত করে। আমাদের যাত্রাপথে নানা চ্যালেঞ্জ এসেছে, কিন্তু আমরা কখনো পিছিয়ে যাইনি—কারণ অসংখ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবিচল সমর্থন আমাদের শক্তি জুগিয়েছে। কেউই ব্যক্তিগত কৃতিত্বের দাবি করেন না, কিন্তু সবাই এই পরিবর্তনের অংশীদার।

সততা ও স্বচ্ছতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার:

AL BASAR USA একটি ট্যাক্স-মুক্ত অলাভজনক সংস্থা (Federal ID # 92-1804033), যা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিবন্ধিত। আমাদের Cataract Outreach এবং School Eye Screening কর্মসূচির জন্য AL BASAR International Foundation (BIF)-এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমঝোতার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও, আমাদের পরিচালনা ব্যবস্থা একটি স্বাধীন বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হয়। আমরা কঠোরভাবে IRS-এর নিয়মনীতি মেনে চলি এবং নিশ্চিত করি যে আমাদের সমস্ত কার্যক্রম শুধুমাত্র আমাদের মানবিক মিশনের উপর কেন্দ্রীভূত—কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়।

অংশীদারিত্ব

বিআইএফ (BIF)-এর সাথে আমাদের নিবিড় সম্পর্কের মাধ্যমে গড়ে ওঠা অংশীদারিত্বগুলো আমাদের সেবার পরিধি এবং প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্থানীয় সংস্থা, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এবং বৈশ্বিক এনজিওগুলোর (NGOs) সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে আমরা চক্ষুসেবা প্রদান, জ্ঞান বিনিময় এবং সম্পদ সংগ্রহের সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছি। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আমাদের নিবারণযোগ্য অন্ধত্বমুক্ত এক বিশ্বের লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।